প্রচ্ছদ দেশজুড়ে রোজাদারকে ইফতার করালে যে সুসংবাদ রয়েছে

রোজাদারকে ইফতার করালে যে সুসংবাদ রয়েছে

ইফতার রমজানের রোজার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। ইসলামি পরিভাষামতে, রোজাদার সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে যে পানাহারের মাধ্যমে রোজা ভঙ্গ করেন, তাকে ইফতার বলে। ইফতারের কিছুক্ষণ আগে ইফতারি সামনে নিয়ে অপেক্ষা করা এবং সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা উত্তম ও সুন্নত। ইফতারি সামনে রেখে দোয়া করলে তা কবুল হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, হাদিসে কুদসিতে আল্লাহতায়ালা বলেন, আমার বান্দাদের মধ্যে তারা আমার বেশি প্রিয়, যারা সময়মতো দ্রুত ইফতার করে। (আলফিয়্যাতুল হাদিস, ৫৬০)

অন্যদিকে রোজাদারকে ইফতার করানোর জন্য রয়েছে বিশেষ সুসংবাদ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, তার গুনাহ মাফ হয়ে যাবে, সে জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ করবে এবং ওই রোজাদারের সওয়াবের সমপরিমাণ সওয়াব সে লাভ করবে; তবে ওই রোজাদারের সওয়াবে কোনো কম করা হবে না। সাহাবায়ে কেরাম এ কথা শুনে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের অনেকেরই রোজাদারকে ইফতার করানোর সামর্থ্য নেই। রাসুলুল্লাহ (সা.) তখন বললেন, পানি মিশ্রিত এক কাপ দুধ বা একটি শুকনো খেজুর অথবা এক ঢোক পানি দ্বারাও যদি কেউ কোনো রোজাদারকে ইফতার করায়, তাতেও আল্লাহ তাকে সেই পরিমাণ সওয়াব দান করবেন। আর যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে তৃপ্তিসহকারে আহার করাবে, আল্লাহ তাকে আমার হাউসে কাউসার থেকে এমন পানীয় পান করাবেন, যার ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করার আগ পর্যন্ত তৃষ্ণার্ত হবে না। (ইবনে খুজাইমা, ১৮৮৮)

আনাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) (মাগরিবের) নামাজের আগে কয়েকটি তাজা খেজুর দ্বারা ইফতার করতেন। যদি তাজা খেজুর না মিলত, তা হলে শুকনো খেজুর খেতেন। যদি শুকনো খেজুরও না মিলত, তা হলে কয়েক ঢোক পানি দ্বারা (ইফতার করতেন)। (তিরমিজি, ৬৯৬)