প্রচ্ছদ হেড লাইন কিয়ামতের দিন বাবা-সন্তানকে চিনবে না, কুরআন-হাদিসে যা আছে

কিয়ামতের দিন বাবা-সন্তানকে চিনবে না, কুরআন-হাদিসে যা আছে

কিয়ামতের বিভীষিকাময় ময়দানে কেউ কারো হবে না। সেই মুহূর্তে সবাই ‘ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি’ করতে থাকবে। কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, সেদিন মানুষ নিজের ভাই, নিজের মা, নিজের পিতা, নিজের স্ত্রী ও সন্তানাদি থেকে পালাবে। তাদের মধ্যে প্রত্যেক ব্যক্তির ওপর সেদিন এমন সময় এসে পড়বে, সে নিজেকে ছাড়া আর কারও প্রতি লক্ষ করার মতো অবস্থা থাকবে না। (সুরা : আবাসা, আয়াত : ৩৪-৩৭)

হাদিসে আছে, হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন ‘মহানবী (সা.)কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের দিন মানুষ উলঙ্গ হয়ে খতনাহীন অবস্থায় কবর থেকে হাশরের ময়দানে এসে দাঁড়াবে। এ কথা শুনে আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসুল! নারী-পুরুষ সবাই কি উলঙ্গ থাকবে? এমন হলে তো খুবই লজ্জার ব্যাপার। উত্তরে হুজুর (সা.) বললেন, হে আয়েশা! সে দিনের পরিস্থিতি এত ভয়ঙ্কর হবে, কেউ কারও দিকে তাকানোর কথা কল্পনাও করতে পারবে না (বুখারি ও মুসলিম।)

হাদিসে আছে, প্রত্যেক ব্যক্তি হাশরের মাঠে ভয়ে বলতে থাকবে-আমাকে বাঁচান, আমাকে বাঁচান। একমাত্র হযরত মুহাম্মদ (সা.) উম্মত নিয়ে চিন্তা করবেন। (বুখারি, হাদিস নং : ২৭১২)

হাশরের মাঠে শয়তান সম্পর্কে কুরআনে এসেছে, যখন সব কাজের ফয়সালা হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবে, অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের সত্য ওয়াদা দিয়েছিলেন এবং আমি তোমাদের সঙ্গে ওয়াদা করেছি, অতঃপর তা ভঙ্গ করেছি। তোমাদের ওপর আমার কোনো ক্ষমতা ছিল না, কিন্তু এতটুকু যে আমি তোমাদের ডেকেছি, অতঃপর তোমরা আমার কথা মেনে নিয়েছ। অতঃপর তোমরা আমাকে ভর্ত্সনা করো না এবং নিজেদেরই ভর্ত্সনা করো। ’ (সুরা ইবরাহিম, আয়াত : ২২)